ঢাকা : সিনেমায় প্রায়ই দেখা যায়- নায়ক সন্ত্রাসী হয়ে গেলে গডফাদাররা সেই
অন্ধকার থেকে আর বের হতে দিতে চায় না তাকে। ক্রিকেটেও ব্যাপারটা তাই।
ম্যাচ পাতানোর টাকার জোগান যেহেতু আসে আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে তাই চাইলেও
সেখান থেকে বের হতে পারেন না জড়িত ক্রিকেটাররা।
আইসিসির দূর্নীতি দমন কমিশনের (আকসু) কাছে দেয়া
বক্তব্যে সেই চক্র থেকে বের হতে না পারার অসহায়ত্ব নাকি বের হয়ে এসেছে তার
কাছ থেকে। রিপোর্ট প্রকাশিত না হলেও বিসিবিতে রয়েছে এমন গুঞ্জণ। নাম প্রকাশ
না করার শর্তে বিসিবির এক কর্মকর্তা প্রাইমখবর ডটকমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে
বলেন, ‘এই চক্র থেকে বের হতে না পারার হতাশায় আশরাফুল আত্মহত্যাও করতে
চেয়েছিল। নিশ্চিত থাকুন ফিক্সিংয়ে কেবল ও একাই জড়িত না। কারও একার পক্ষে
ম্যাচ পাতানো সম্ভবও না।’
তবে আশরাফুলের পরিবার ভেঙে পড়েনি
এখনও। বিপিএলের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগটা ঠিক মানতেও
পারছেন না তারা। আশরাফুলের মোবাইল বন্ধ পেয়ে যোগাযোগ করা হয় তার বাবা
আবদুল মতিনের সঙ্গে। প্রাইমখবর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘ওর বয়স কম। কী বলতে গিয়ে
কী বলেছে আকসুর কর্তাদের! ম্যাচ পাতানো তো একার পক্ষে সম্ভব না। যদি
আশরাফুল এতে জড়িত থাকেই তাহলে এর পুরো দায়ও ওর নয়।’
এমন একটা
ঝড়ের পরও ঘরবন্দী হয়ে নেই আশরাফুল। সামাজিক কাজের পাশাপাশি নিয়মিত বসছেন
নিজের রেস্টুরেন্টেও। জানালেন তার বাবা মতিন, ‘আশরাফুল কিন্তু ঘরে বন্দী
থাকছে না। বনশ্রী জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে ও। কদিন আগে
বেতনও দিয়েছে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে। নিয়মিত যাচ্ছে রেস্টুরেন্টেও।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন