বিশেষ প্রতিনিধি \ কুষ্টিয়ার
দৌলতপুর উপজেলায় চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক ওরফে সোনা সরদার (৪৮)
হত্যাকান্ডের ঘটনা নিয়ে রহস্য দানা বেধে উঠেছে। পুলিশ বলছে অভ্যন্তরীণ
কোন্দলের জের ধরে তাকে খুন করা হয়েছে। আর এ
হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকায় শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা। গত ২৬ জুন রাতে উপজেলার
আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগর এলাকায় কথিত সার্কাসের প্যান্ডেলের কাছে একটি চায়ের
দোকানে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার খুন হয়। এ হত্যাকান্ডের সময় সন্ত্রাসীদের
গুলিতে চা দোকানি মজিবর রহমান আহত হয়। তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চরমপন্থী অধ্যুসিত এলাকা হিসেবে পরিচিত উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগরে গত কয়েকদিন ধরে কথিত সার্কাস চলে আসছিল। ওই সার্কাসে গভীর রাতে মেয়েদের অশীল নাচগান অনুষ্ঠিত হতো। এর আগে একই সার্কাসের আয়োজন করা হয়েছিল পার্শ্ববর্তী পিপুলবাড়িয়া এলাকায়। আর এই সার্কাস দুটি আয়োজনের মূল ভূমিকায় ছিল নিহত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদার। সার্কাসের টাকা ভাগাভাগি অথবা সার্কাসের একটি সুন্দরী মেয়েকে নিয়ে প্রেম ঘঠিত বিষয়কে কেন্দ্র করে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার খুন হতে পারে বলে সূত্রগুলোর ধারণা। তবে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও পুলিশের ধারণা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরেই এই নৃশংস খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। সূত্রগুলো জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ময়নুল হক সোনা ঘটনার দিন বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়গাংদিয়া এলাকায় অবস্থান করছিল। এরপর রাত ৮টার দিকে সে পার্শ্ববর্তী ইউসুফপুরে বাড়ি ফিরে যায়। রাতের খাবার খেয়ে সে পুনরায় বাড়ি থেকে বের হয়। নারী আসক্ত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদারকে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করায় সে চা খাওয়ার নাম করে বের হয়। স্ত্রীর নিষেধ সত্বেও সে লুঙ্গি পড়া অবস্থাতেই সরাসরি সার্কাসের প্যান্ডেলে চলে আসে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার সেখানকার একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সোনা সরদার বর্তমানে কোনো চরমপন্থী কানেকটেড ছিল না। সে এলাকায় তামাকের ব্যবসা করতো বলে তার পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও এলাকাবাসী জানায়, নিহত চরমপন্থী নেতা সোনা সরদারের নাম শুনলেই এলাকার মানুষ ভয়ে অাঁৎকে উঠতো। অনেকদিন ধরে সে আত্মগোপনে থাকলেও লোকালয়ে বেরিয়ে এসে অবশেষে নৃশংসভাবে খুনের শিকার হলো।
দৌলতপুর থানার ওসি (প্রশাসন) রবিউল ইসলাম বলেন, নিজেদের ভেতর কোনো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়ায় অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ বাহিনীর সন্ত্রাসীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা সোনা সরদারকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সার্কেল) সিএ হালিমও একই ধরনের কথা বলেন। তিনি জানান, দুটি চরমপন্থী সংগঠনের মধ্যে বিবাদমান কোন্দলের জের ধরে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে। তবে সার্কাসের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এএসপি সার্কেল সিএ হালিম আরো বলেন, এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
উলেখ্য, নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ময়নুল হক ওরফে সোনা সরদার গত ২৬ জুন বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগরে সার্কাসের প্যান্ডেলের কাছে মজিবর রহমানের চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা সেখানে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ফিল্মি স্টাইলে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদারকে লক্ষ্য করে পরপর ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরী কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয় চা দোকানি মজিবর রহমান। বাম হাতে গুলিবিদ্ধ চা দোকানি মজিবরকে ওইরাতেই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সন্ত্রাসীদের গুলির শব্দে মূহূর্তের মধ্যে এলাকাটি ফাঁকা হয়ে যায়, ছড়িয়ে পড়ে চরম আতঙ্ক। হত্যাকান্ডস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নিহত সোনা সরদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে এলাকাটি এখন প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।
নিহত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদার ১৯৯৭ সালে তৎকালীন সরাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ নাসিমের আহবানে সাড়া দিয়ে পুলিশের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছিল। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও এর কিছুদিনের মধ্যে সে ফের চরমপন্থী সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়ে বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চরমপন্থী অধ্যুসিত এলাকা হিসেবে পরিচিত উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগরে গত কয়েকদিন ধরে কথিত সার্কাস চলে আসছিল। ওই সার্কাসে গভীর রাতে মেয়েদের অশীল নাচগান অনুষ্ঠিত হতো। এর আগে একই সার্কাসের আয়োজন করা হয়েছিল পার্শ্ববর্তী পিপুলবাড়িয়া এলাকায়। আর এই সার্কাস দুটি আয়োজনের মূল ভূমিকায় ছিল নিহত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদার। সার্কাসের টাকা ভাগাভাগি অথবা সার্কাসের একটি সুন্দরী মেয়েকে নিয়ে প্রেম ঘঠিত বিষয়কে কেন্দ্র করে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার খুন হতে পারে বলে সূত্রগুলোর ধারণা। তবে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও পুলিশের ধারণা অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরেই এই নৃশংস খুনের ঘটনাটি ঘটেছে। সূত্রগুলো জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ময়নুল হক সোনা ঘটনার দিন বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়গাংদিয়া এলাকায় অবস্থান করছিল। এরপর রাত ৮টার দিকে সে পার্শ্ববর্তী ইউসুফপুরে বাড়ি ফিরে যায়। রাতের খাবার খেয়ে সে পুনরায় বাড়ি থেকে বের হয়। নারী আসক্ত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদারকে তার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করায় সে চা খাওয়ার নাম করে বের হয়। স্ত্রীর নিষেধ সত্বেও সে লুঙ্গি পড়া অবস্থাতেই সরাসরি সার্কাসের প্যান্ডেলে চলে আসে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার সেখানকার একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সোনা সরদার বর্তমানে কোনো চরমপন্থী কানেকটেড ছিল না। সে এলাকায় তামাকের ব্যবসা করতো বলে তার পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও এলাকাবাসী জানায়, নিহত চরমপন্থী নেতা সোনা সরদারের নাম শুনলেই এলাকার মানুষ ভয়ে অাঁৎকে উঠতো। অনেকদিন ধরে সে আত্মগোপনে থাকলেও লোকালয়ে বেরিয়ে এসে অবশেষে নৃশংসভাবে খুনের শিকার হলো।
দৌলতপুর থানার ওসি (প্রশাসন) রবিউল ইসলাম বলেন, নিজেদের ভেতর কোনো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়ায় অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ বাহিনীর সন্ত্রাসীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা সোনা সরদারকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সার্কেল) সিএ হালিমও একই ধরনের কথা বলেন। তিনি জানান, দুটি চরমপন্থী সংগঠনের মধ্যে বিবাদমান কোন্দলের জের ধরে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদার খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে। তবে সার্কাসের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এএসপি সার্কেল সিএ হালিম আরো বলেন, এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
উলেখ্য, নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ময়নুল হক ওরফে সোনা সরদার গত ২৬ জুন বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগরে সার্কাসের প্যান্ডেলের কাছে মজিবর রহমানের চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা সেখানে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ফিল্মি স্টাইলে চরমপন্থী নেতা সোনা সরদারকে লক্ষ্য করে পরপর ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরী কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয় চা দোকানি মজিবর রহমান। বাম হাতে গুলিবিদ্ধ চা দোকানি মজিবরকে ওইরাতেই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সন্ত্রাসীদের গুলির শব্দে মূহূর্তের মধ্যে এলাকাটি ফাঁকা হয়ে যায়, ছড়িয়ে পড়ে চরম আতঙ্ক। হত্যাকান্ডস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নিহত সোনা সরদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে এলাকাটি এখন প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।
নিহত চরমপন্থী নেতা ময়নুল হক সোনা সরদার ১৯৯৭ সালে তৎকালীন সরাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ নাসিমের আহবানে সাড়া দিয়ে পুলিশের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছিল। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও এর কিছুদিনের মধ্যে সে ফের চরমপন্থী সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়ে বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন