জানাযায় শনিবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৮০/৯০ জন ব্যক্তি
খুলনা-ব-৫৬৯ নম্বরধারী বাসযোগে ফরিদপুরের আটরশির কথিত পীর সাহেরেব পাটের
ক্ষেত নিড়াতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে সোমবার রাত আনুমানিক ১ টার দিকে
চৌগাছা-যশোর সড়কের কড়�ইতলা নামক স্থানে পৌছালে চালক নিয়ন্ত্রন হারালে
বাসটি উল্টেযায়। এ ঘটনায় হেলপারসহ ৩ জন নিহত হয় এবং ৪৩ জন আহত হয়।
নিহতরা হলেন উপজেলা দশপাকিয়া গ্রামের আলতাফ সর্দার (৬০), ফতেপুর গ্রামের
আব্দুল জব্বার (৪৫) ও বাসের হেলপার সিংহঝুলী গ্রামের মৃত ছবেদ আলীর ছেলে
আশরাফুল ইসলাম (১৮)। আহতরা হলেন উপজেলার মশ্মমপুর গ্রামের নুরুনব্বী
(১৭),উজ্জল হোসেন (২৬), ইস্রাফিল হোসেন (১৬), রোস্তম আলী (২৮), জহুরুল
ইসলাম (২০) আশাদুল ইসলাম (২২) সুমন হোসেন (১৭), দশপাকিয়া গ্রামের ইয়াকুব
আলী (৩৫), শহিদুল ইসলাম (২৫), মহিউদ্দীন (৫৮), রাজিব হোসেন (১৮), আশরাফুল
ইসলাম (৬১) আশাদুল ইসলাম (২২), শরিফুল ইসলাম (২২) বজলুর রহমান (২০), সামছুর
রহমান (৫৫), শফিকুল ইসলাম (৩০), পাশাপোল গ্রামের সবুজ হোসেন (২০) রবিন
হোসেন (২৭), তানজির আহমেদ (৪২), বিপুল হোসেন (৩৭), টিটো রহমান (১৮), ইউছুপ
আলী (১৮), তুহিনুর রহমান (২০), আসমত আলী (৪৩), রঘুনাথপুর গ্রামের কানন
হোসেন (২৫), আবুসামা (৪০), রফিকুল ইসলাম (৬০) ও ফতেপুর গ্রামের আব্দুস
সামাদ (৭০) ।
আহতদেরকে চৌগাছা হাসপাতাল ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং
বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশংকাজনক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় বাসের মালিক সিংহঝুলী গ্রামের আবু জাফর
এবং বাসের চালক কয়ারপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেন। হাসপাতালে ভর্তি আহতরা
জানান আমরা জাকের পাটির চেয়ারম্যান মেজে ভাই জানের (মোস্তফা আমির ফয়সাল)
পাট ক্ষেত নিড়াতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফেরার পথে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বাসটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে বিকট
শব্দ হয়। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের আত্ম চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে
আসে। তবে রাত গভীর হওয়ায় উদ্ধার করতে হিমশিম খেতে হয়। এদিকে আহতরা জানান
বাস চালক সুপারভাইজার বেপরোয়া গতিতে বাস চালাচ্ছিল। তাকে বারবার নিষেধ
করলেও কথা শোনেনি। ফলে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে বাসটি
উল্টে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন