M

<< WELLCOME TO DASAR KHOBOR >> পাকিস্তানের নারীদের দেয়া হচ্ছে যৌন শিক্ষা >> সাভারে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত >> মিয়ানমারে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা >> মিরপুরে মিল্কভিটা বস্তিতে আগুন >> ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে পাকিস্তান>> দৌলতপুরে সরকারী গাছ কেটে আত্মসাতের চেষ্টা করেছে সরকারী দলের নেতা >>রাহুল গান্ধীকে চুমু খাওয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা >> মেহেরপুরের পাঁচ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান >> পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে কক্সবাজারে হরতাল চলছে >> এশিয়া কাপে আজ যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের >> পলাতক ২ জঙ্গি ধরতে গাইবান্ধায় গোয়েন্দাজাল >> সেনাবাহিনী নামছে ৫৯ জেলায় >> বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিল আল কায়েদা!>>

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৩

দৌলতপুরে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীন খেলা

রাসেল আহমেদ.:::. জিটাল যুগের শিশু কিশোরদের কাছে কাবাডি, মোরগ লড়াই, ষাঁড়ের লড়াই, হাড়িভাঙ্গা, গাদন, লুকোচুরি, এখন শুধু ¯^প্নের মতো দেখা যায় কিন্তু খেলা যায় না। বর্তমান ক্রিকেট ফুটবল খেলার জনপ্রিয়তার নিচে চাপা পড়ে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলা।


এক যুগ পূর্বেও এসব খেলার জনপ্রিয়তা ছিল সবার মাঝে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বড়গাংদিয়া সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয়ের ৫র্থ শ্রেণীর ছাত্রী ফারহানার আক্তার লিলি প্রতিনিধির প্রশ্নে বলে, পাঠ্য বইয়ে সে গোল্লাছুট, দাড়িয়াবান্দা, দড়িলাফ, এক্কাদোক্কা, ফুলটোকা, লুকোচুরি খেলার নাম শুনেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত সে খেলা দেখেনি। 

সে আরও বলে, এখন লেখাপড়া এতো চাপ যে খেলার সময় পাওয়া যায়না। শুক্রবার ছুটির দিনেও থাকে বাসায় পড়ার চাপ প্রাইভেট। তাই আমার কোন খেলাধূলায় ভালো লাগে না। দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী নাসরিন খাতুন জানায়, ছোট বেলা থেকে ফুটবল আর ক্রিকেট দুটো খেলারই প্রচলন বেশি দেখে আসছি। হা-ডু-ডু, বৌছি, কানামাছি, লাঠিখেলার নাম শুনেছেন কিনা প্রশ্ন করলে সে জানায়, নাম শুনেছি কিন্তু খেলার নিয়ম বা কৌশল জানা নেই  

আমাদের কৈশোরকালে আমরা তিনপায়ে দৌড়, বৌমাছি, পলানটুক, সুই-সুতা, দড়ি, সাতচারা, ধাপ্পা, কুতকুত, জুতা চোর, রুটি তাওয়া, এলন্ডি লন্ডন, ছোঁয়া-ছোঁয়ি, চেয়ার দৌড়, ওপোনটু বাইসকো, চোর-পুলিশ, বস্তা দৌড়, লৌহ/বর্ষা নিক্ষো, হাসরে হাস, সাত পাতা, বোমপাইট, রস-কস, চার/ষোল গুটি, জামাই-বৌ, চিতল খেলা, পুতুল বউ খেলা, মার্বেল খেলা, লাটিম খেলা, বাঘ বকরি খেলা, বিস্কুট খাওয়া, চামুচ খেলা, বালিস খেলা খেলছি। এখন আর ঐসব খেলা তো দুরের কথা নাম মনেহয় এখন কার ছেলে মেয়েরা শুনেনায়।  

ঐসব খেলার স্থলে এখন ডিজিটাল যুগের রকমারি খেলা স্থান পেয়েছে যেমন, বাস্কেট বল, ভলি বল, কেরাম বোর্ড, ডাবা, ভিডিও গেম্স পিপুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরোজুল ইসলাম বলেন, এখন আর আগের মতো খেলাধূলার পরিবেশ নেই এছাড়া যুগের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া নিয়েই বেশিরভাগ সময়ে ব্যস্ত থাকে।

যতটুকু অবসর পায় টিভিতে ক্রিকেট আর ফুটবল খেলা দেখেই সময় কাটায়। তাছাড়া গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু, বৌচি, কানামাছি খেলা এখন যুগের ছেলেমেয়েদের কাছে অজানা। স্কুল কলেজের বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার আসরেও বিলুপ্ত প্রায় খেলার প্রচলন নেই। একাধিক অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখন আর বাচ্চাদের খেলধূলার জন্য খেলার মাঠ নেই। 

 বর্ষা মৌসুমে যেসব মাঠে খেলাধূলা হতো, তাতে এখন গড়ে উঠেছে বসত ঘর। আবার মাঠ থাকলেও সেখানে হচ্ছে চাষাবাদ। অবসর সময়ে ঘরে বসে টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ক্রিকেট ফুটবল খেলা দেখে সময় কাটিয়ে দেন। যারাও খেলাধূলা করছেন তারা বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা।  

আর এর কারণে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধূলা যুগের শিশুকিশোরদের কাছে এখন ¯^প্নের শিড়ী। আর এখন কিশোররাতো ব্লগিং, ফেইসবুকে চ্যাটিং, মোবাইলে কলিং কম্পিউটারে ভিডিও গেমস খেলে সময় কাটায়। আর এই কারনে আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলা হারিয়ে যাচ্ছে

কোন মন্তব্য নেই:

Popular Posts