M

<< WELLCOME TO DASAR KHOBOR >> পাকিস্তানের নারীদের দেয়া হচ্ছে যৌন শিক্ষা >> সাভারে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত >> মিয়ানমারে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা >> মিরপুরে মিল্কভিটা বস্তিতে আগুন >> ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে পাকিস্তান>> দৌলতপুরে সরকারী গাছ কেটে আত্মসাতের চেষ্টা করেছে সরকারী দলের নেতা >>রাহুল গান্ধীকে চুমু খাওয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা >> মেহেরপুরের পাঁচ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান >> পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে কক্সবাজারে হরতাল চলছে >> এশিয়া কাপে আজ যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের >> পলাতক ২ জঙ্গি ধরতে গাইবান্ধায় গোয়েন্দাজাল >> সেনাবাহিনী নামছে ৫৯ জেলায় >> বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিল আল কায়েদা!>>

মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৩

ঈশ্বরদীতে পুলিশের গাড়ির কাগজপাতি পরীক্ষার নামে চলছে চাঁদাবাজির মহোৎসব


undefinedঈশ্বরদী, পাবনা.:::. ঈশ্বরদীতে দীর্ঘদিন থেকে হাইওয়ে পুলিশ কাগজপাতি পরীক্ষা ও গাড়ি চেকিং এর নাম করে অভিনব কৌশলে চাঁদাবাজি করে আসছে। প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির স্বীকার হচ্ছে মোটর সাইকেল আরোহী ও ইঞ্জিন চালিত গাড়ির চালকেরা। বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহীরা হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে বেশি। দেখা যাচ্ছে
একজনের মোটর সাইকেলের লাইসেন্স রয়েছে তবে কাগজপাতি বাড়িতে রেখে এসেছেন জরুরী কাজে কোথাও বের হয়েছেন। পথিমধ্যে হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি চেকিং, গাড়ির সঙ্গে কাগজপাতি না থাকায় তাকে নগদ নারায়ন গুনতে হয়। এছাড়া হেলমেড না থাকায়ও তারা আইনের কথা, এবং মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করেন। হাইওয়ে রাস্তাতে বিভিন্ন রুটের গাড়ি থেকে কাগজপাতি পরীক্ষার নামে হাজার হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে থাকেন প্রকাশ্যে দিনের বেলাতে। উপজেলার মুলাডুলি আখ খামার ও দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ঈশ্বরদী-পাবনা বিশ্ব রোড ও রুপপুর মোড়ে দীর্ঘদিন থেকে পাকশী হাইওয়ে পুলিশ (পাবনা সুগার মিলস ফাঁড়ি)'র দায়িত্বরত এসআই, হাবিলদার ও কনষ্টেবল নিয়মিত ভাবে অভিনব কৌশলে চাঁদা আদায় করে আসছে। হাইওয়ে পুলিশ রাতে রাস্তায় পাহারা দিবে, যাতে কোন প্রকার ডাকাতি বা অঘটন না ঘটে। যাত্রীদের জান মালের হেফাজত করবে এটাই তাদের মূল কাজ। গাড়ির কাগজপাতি পরীক্ষা কিংবা চেকিং এর জন্য রয়েছে ট্রাফিক সার্জেন্ট, ট্রাফিক হাবলিদার বা ট্রাফিক পুলিশ। কিন্তু তারা রাতে রাস্তার নিরাপত্তাহীন জায়গাতে ডিউটি না করে দিনের বেলা তাদের ইচ্ছে মাফিক গাড়ি চেকিং এর নামে চাঁদাবাজির মহোউৎসবে মেতে উঠে।

হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে বেশ কয়েকজন সাধারন মানুষ ও চাঁদা তুলতে আসা হাইওয়ে পুলিশের কনেস্টেবল ইতোমধ্যে রোড এক্্রসিডেন্টে মারা গেছেন। এক্্রসিডেন্টের পর দুই-একদিন চাঁদাবাজি বন্ধ থাকলেও আবারও পূণরায় শুরু হয়ে যায় চাঁদাবাজির মহোৎসব। এসব বিষয়ে স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্রিকাতে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশের পর বেশ কিছুদিন হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি বন্ধ থাকলেও নতুন ভাবে আবারও শুরু হয়েছে তাদের চাঁদাবাজি। এতো কিছুর পরেও হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী ব্যক্তি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, মুলাডুলি আখ খামার এলাকায় পোশাকে এবং সিভিল ড্রেসেও হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি চলছে। তারা লোকালয়ের বাইরে মূলাডুলি আখ খামারের সামনে গাছের আড়ালে-আবডালে লুকিয়ে নিরবে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা আরও জানান, গাছের আবডাল থেকে বের হয়ে এসে কনস্টেবলেরা সিগনাল দিয়ে দ্রুত গতির গাড়ি থামানোর পর গাড়ির কাগজপত্র চেয়ে থাকেন। ড্রাইভার কাগজ বের করতে উদ্যত হলে পাশে থাকা অন্য একজন বলেন, কাগজ দেখাতে হবেনা। কিছু মাল দিয়ে দে। অনেক সময় সাহসী ড্রাইভারেরা তাদের সঠিক কাগজপত্র দেখানোর পর উৎকোচ চাইলে, বলে থাকেন এটা কি মঘের মূল�ুক কাগজ পাতি সঠিক আছে ঘুষ দিমুনা। এসব গাড়ির ড্রাইবারদের নানা ভাবে অন্য পথে হয়রানী করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে পাকশী হাইওয়ে পুলিশ (পাবনা সুগার মিলস) ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা সাবইন্সপেক্টর সাইদুর রহমান বলেন, চুরি-ডাকাতি রোধে আমরা গাড়ি চেকিং করে থাকি। রাতের পরিবর্তে দিনের বেলায় কেন, এবিষয়ে কোন প্রকার সুদুত্তর দিতে পারেনি। পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মেরাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, হাইওয়ে পুলিশ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। তিনি অভিযোগ সম্পর্কে সংশি�ষ্ট পুলিশ সুপারকে অবগত করবেন।  এব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ সুপার (বগুড়া) ইসরাইল হাওলাদার জানান, হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে মহাসড়কে যানবাহনের নিরাপত্তা বিধান, অবৈধ যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং মামলা রজু করা। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না। এধরনের হয়রানী ও চাঁদা আদায়ের সম্পর্কে অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

কোন মন্তব্য নেই:

Popular Posts