দিনাজপুরের বিরলে প্রেম করে বিয়ে করাই কাল হলো শ্রীমতি টুলটুলি
রানী রায়ের (১৮)। প্রেমিকের বড় ভাই ক্ষমতাসীন দলের
ওয়ার্ড নেতার দাপটে স্ত্রীর মর্যাদা পাচ্ছেনা
টুলটুলি। ছোট ভাইকে
শাসিয়ে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ছোট ভাইয়ের
স্ত্রী টুলটুলির স্বাক্ষর জাল করে এফিডেভিট করে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষনা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানায় কন্যা
পক্ষ অভিযোগ দাখিলের
দির্ঘদিন
অতিবাহিত হলেও
ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড নেতা শালিস-মীমাংসার নামে কালক্ষেপন করে চলছে।
ঘটনার বিবরনে জানা গেছে, উপজেলার
ধামইর ইউপি'র কাশিডাঙ্গা
গ্রামের মৃত জগদীশ চন্দ্র রায়ের
পুত্র মিহির চন্দ্র রায় (২৫) প্রতিবেশি নরেশ চন্দ্র রায়ের কন্যা টুলটুলি রানী রায় (১৮)-এর সাথে
দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সুত্র ধরে
দৈহিক সম্পর্ক
গড়ে তোলে। গত ২০ মার্চ
নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে
তাদের বিয়ের ঘোষনা দিয়ে হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে স্থানীয় শ্রীশ্রী কালীমাতা ঠাকুরানী মন্দিরে গিয়ে
পুরোহিতের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এ ঘটনা প্রকাশ
পাওয়ায় প্রেমিকের বড় ভাই ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড নেতা ছোট ভাই মিহির চন্দ্র রায়কে শাসিয়ে বাড়ী
থেকে অন্যত্র লুকিয়ে রেখে
এ বিয়ে
বিচ্ছেদের জন্য কন্যা পক্ষকে চাপ দিতে থাকে। কন্যা পক্ষের কোন সাড়া না পেয়ে গত ২৩ মার্চ কন্যার পিতা নরেশ চন্দ্র
রায়সহ প্রতিবেশি কালা চাদ, সুদেশ,
গেলনা, সুবাশ,
মহেন্দ্র, দধিবাস,
হেলনা, ধীরেন,
বীরেন, গাঠু,
লাল বাবু,সম্ভু,
হরেকৃষ্ট, সনাতন,
দ্বীজেন্দ্র, হরিশ,
টাঙ্গারুসহ ২২ টি পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বেড়া
দিয়ে বন্ধ করে তাদের গৃহবন্ধি করে রেখেছে। আ'লীগের ওয়ার্ড নেতা প্রভাব বিস্তার করায় কেউ
প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। এ বিষয়টি নিয়ে
উপজেলা চেয়ারম্যান, ক্ষমতাসীন দলের
উপজেলা ও ইউনিয়ন
পর্যায়ের নেতাগনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিগন একাধিকবার বসে আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ
হয়েছেন। প্রেমিক মিহির
চন্দ্র রায়ের ভাইদের একই কথা
এ বিয়ে মানি না। কিন্তু টুলটুলি
রানী রায় স্ত্রীর স্বীকৃতি পাবার
আশায় থানাসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন