ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ধর্ষন এখন ভারতে ছেলে খেলায় পরিনত হয়েছে। প্রতিনিয়িতই চলছে এ কান্ড। কখনও বাসে। কখনও রাস্তায়। এবার একই তরুনী তিন বার তিন গাড়িতে গনধর্ষনের স্বীকার হল। ২০ বছরের গৃহবধূ। সাকিন হরিয়ানার ফতেবাদ জেলার সানিয়ানা গ্রাম। তরুণীর সাধ হল একবার বাবা-মায়ের কাছে যাবেন। তাঁরা থাকেন কার্নাল জেলার ঘারাউন্ডা গ্রামে।
বাপের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। অগত্যা একাই পথে বের হলেন তরুণী। পৌঁছলেন কাছের শহর উকলানায়। সেখান থেকে বাস ধরবেন।
বাসস্ট্যান্ডে একাই অপেক্ষা করছিলেন ওই তরুণী। হঠাৎ দেখলেন গ্রামের মুখ চেনা এক যুবক হাজির সেখানে। মাহিন্দ্রা জাইলো গাড়িতে চেপে। রমেশ নামে ওই যুবক এগিয়ে এল তরুণীর কাছে। বলল,পৌঁছে দেবে নরওয়ানা অবধি।
দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ওই তরুণী অত সাত পাঁচ না ভেবেই উঠে পড়ল গাড়িতে। রমেশ আবার ফোন করে ডেকে নিল বন্ধু বলবনকে। তারপর গাড়ির ভিতর চলল গণধর্ষণ।
এখানেই শেষ নয়। দুজনে এবার ডেকে নিল তাদের তৃতীয় বন্ধুকে। তার নামও রমেশ। সেও হাজির হল নিজের গাড়ি নিয়ে। অভিযোগ,এরপর জোর করে ধর্ষিতাকে তোলা হল ওই গাড়িতে। তারপর আবার গণধর্ষণ।
”মজা লোটার” পর নরওয়ানা বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিল বিধ্বস্ত তরুণীকে। হাতে গুঁজে দিল ৩০০ টাকা।
এরপর অত্যাচারের নতুন পর্ব। এবার তরুণীর কাছে এগিয়ে এল জিন্দ জেলার কবরছা গ্রামের দুই যুবক। মণীশ আর সুরিন্দর। তরুণীকে জিপে তুলে নিল তারা। তারপর আবার গণধর্ষণ। এবারেও দুই যুবক তরুণীকে নামিয়ে দিল রাস্তার পাশে।
সেখান থেকে কোনওরকমে শ্বশুরবাড়িতে কহবর দেয় ওই তরুণী। শ্বশুরবাড়ি থেকে লোক এসে তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।
পুলিশ জানিয়েছে ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্ত পাঁচ যুবককে চিহ্নিত করা গেলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন