M

<< WELLCOME TO DASAR KHOBOR >> পাকিস্তানের নারীদের দেয়া হচ্ছে যৌন শিক্ষা >> সাভারে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত >> মিয়ানমারে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা >> মিরপুরে মিল্কভিটা বস্তিতে আগুন >> ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে পাকিস্তান>> দৌলতপুরে সরকারী গাছ কেটে আত্মসাতের চেষ্টা করেছে সরকারী দলের নেতা >>রাহুল গান্ধীকে চুমু খাওয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা >> মেহেরপুরের পাঁচ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান >> পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে কক্সবাজারে হরতাল চলছে >> এশিয়া কাপে আজ যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের >> পলাতক ২ জঙ্গি ধরতে গাইবান্ধায় গোয়েন্দাজাল >> সেনাবাহিনী নামছে ৫৯ জেলায় >> বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিল আল কায়েদা!>>

বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৩

ঈদে তারকারা কে কোথায়

বিনোদন ডেস্ক : ঈদের আর বাকি মাত্র দু' কিংবা তিন দিন। ঈদকে সামনে রেখে রোজার শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন সবাই। এই প্রস্তুতি থেকে বাদ যাননি তারকারাও। ঈদ শপিং থেকে শুরু করে ঈদের দিনটি কেমন করে কাটাবেন সেটা তারকারা ইতোমধ্যে ঠিক করে ফেলেছেন। দেখে নিন ঈদে তারকাদের পরিকল্পনা।


অনন্ত আর বর্ষা: 'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা'র দুই প্রধান অভিনয় শিল্পী অনন্ত আর বর্ষা ঢাকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ শেয়ার করবেন। অনন্ত বলেন, দর্শকদের আনন্দ দিতেই চলচ্চিত্র নির্মাণ আর অভিনয় করছি। দর্শক হচ্ছে আমাদের লক্ষ্মী। তাই ঈদে তাদের সঙ্গে বসেই ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে চাই। এ কারণেই ঈদের দিন ঢাকাতেই থাকব। বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে যাব। তা ছাড়া বাকি সময় বাসায় থাকব। আপনজনরা আসবেন। তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করব। বর্ষা বলেন, ঈদ মানে আনন্দ আর খুশির বন্যায় ভেসে যাওয়ার দিন। আমি যেহেতু একজন সেলিব্রেটি তাই দর্শকদের আনন্দ খুশিতে রাড়য়ে তোলাই আমার কাজ। তারকাদের এক নজর দেখতে দর্শকরা সব সময় উম্মুখ হয়ে থাকে। তাই অন্তত এই খুশির দিনে তাদের বিমুখ করতে চাই না। ওইদিন বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের সঙ্গে বসে চলচ্চিত্রটি দেখব এবং তাদের খুশির মাত্রা কিছুটা হলেও বাড়য়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। যেহেতু আমার চলচ্চিত্রের নাম 'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা' তাই দর্শকদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিতে ও পেতে চাই। বাকি সময় বাসায় অনন্ত ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে টিভি অনুষ্ঠান দেখব আর মজা করব।

আইয়ুব বাচ্চু: ঈদ ঢাকায় করছি। কোথাও যাচ্ছি না। আর ঈদের উপহারের কথা কি বলবো। এখন তো দেয়ার পালা। নেয়ার পালা নেই। তবে ভাগ্যিস আমাকে মার্কেট ঘুরে ঘুরে শপিং করতে হয় না। সব আমার স্ত্রী নিজ গুণে করেন। আর আমি হিসাবরক্ষকের দাযড়ত্ব পালন করি। তবে আমিও উপহার কম পাইনি। অনেকেই উপহার পাঠান। যার মধ্যে পাঞ্জাবিটাই বেশি।

জেমস: ঈদ ঢাকায় করার সম্ভাবনাটাই বেশি। মধ্যপ্রাচ্যে একটা শো আছে। তবে সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত হলেও সমস্যা নেই। ঈদের দিন সকালে হলেও চলে আসবো ঢাকায়। আমি আবার নিজ ঘরের বাইরে ঈদ উৎসব উদযাপন করতে পারি না। পাগলের মতো লাগে। তাই যেভাবেই হোক যেখানেই থাকি ঈদের দিন বিকেলে-সন্ধ্যায় হলেও আমি নিজ দেশে নিজ শহরে নিজ ঘরে ফিরে আসি। আর উপহার কিসের? এখন আর উপহার উপভোগ করার বয়স আছে? সারা বছর পাঞ্জাবি পরি। ঈদেও পরবো। ব্যাস।

শাকিব খান: প্রতিবারের মতো এবারের ঈদেও ঢাকায় থাকবেন। ঈদের দিন খুব একটা প্রেক্ষাগৃহে যাওয়া হয় না তার। বাসাতেই থাকেন। বাবা-মা, দর্শক-ভক্ত আর বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করেন। তবে এবার প্রেক্ষাগৃহে বসে দর্শকদের সঙ্গে নিজের মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র দুটি দেখার ইচ্ছা রয়েছে তার। এ কারণেই মালয়েশিয়ায় দ্রুত শুটিং শেষ করে ঈদের আগেই দেশে ফিরতে চান তিনি।

আসিফ: ঈদ এবারও ঢাকা-কুমিল্লা মিলিয়ে করবো। এটা আমি প্রতিবছরই করি। কারণ, আমি ঢাকায় যত যাই করি বরাবরই কুমিল্লায় পিছুটান থেকে যায়। সে জন্য দেখা যায় ঈদের দিন অর্ধেক সময় থাকি ঢাকায়, বিকেলে উড়াল দেই কুমিল্লায়। আর ঈদ উপহারের তো শেষ নেই। তবে পারিবারিকভাবে আমরা মূলত যৌথ পরিবারের আবহ নিয়ে চলি। সে জন্য প্রচুর উপহার আমাদের আদান-প্রদান হয় ভাই-বোন পরিবারের মধ্যে। তবে বরাবরের মতো এবারও আমার স্ত্রী মিতু আমার জন্য বিশেষ উপহার রেখেছেন নিশ্চয়ই। যেটা ঈদের দিন সকালের সারপ্রাইজ। আর আমার দুই ছেলে রন-রুদ্রকে ঈদের সময় কাছে পাবো- এটাই বড় উপহার। কারণ, প্রায় সারা বছর তারা দুই ভাই পড়াশোনার কারণে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে।

হাবিব: ঈদ ঢাকায়। নিজ পরিবারের সঙ্গে। এই ঈদটি আমার জন্য বেশি স্পেশাল। কারণ, এবার ঈদ করবো আমার পুত্রের সঙ্গে। আরও ভাল লাগতো ওর হাত ধরে যদি মসজিদে গিয়ে ঈদের নামাজ পড়তে পারতাম। তবে আগামী ঈদে ইনশাআল্লাহ এ আশা পূর্ণ হবে আমার। আর উপহার? উপহার পাচ্ছি অনেক। দিচ্ছিও। আসলে ঈদ উপহার নিয়ে কখনও আমার মধ্যে বাড়তি কোন আগ্রহ ছিল না।

প্রীতম: রমজানের পুরোটা কাটিয়েছি দেশে। তবে ঈদের আগের দিন আমেরিকায় উড়াল দেয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে! এ নিয়ে খুব দ্বিধাদ্বন্দে� আছি। আসলে এবারের ঈদ কোথায় করবো সেটা আর আমার হাতে সীমাবদ্ধ নেই। এবারের ঈদ নির্ভর করছে নিয়তির ওপর। ঈদের উপহার! গেল ক'বছর আমার আসলে ঈদ আনন্দ কিংবা ঈদ উৎসব বলে বিশেষ কিছু নেই। ব্যক্তিগত কারণেই হয়ে ওঠে না।

চঞ্চল চৌধুরী: ঈদের দিন ফ্যামিলির সাথে ঢাকাতেই সময় কাটানোর সাথে সাথে তিনি বন্ধু বান্ধবদের সাথেও দেখা করবেন। ঈদের দিনে তার পছন্দের পোশাক পাঞ্জাবি পাজামা। তিনি মনে করেন ঈদ বা পূজা যাই হোক না কেন এগুলো এখন বাঙালির উৎসব। তাই উৎসবের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়াই ভালো।

আরফিন রুমি: জীবনে প্রথম কোন ঈদ দেশের বাইরে করতে হচ্ছে। এটা খানিক বেদনার। ঈদের সময়টায় আমার পরিবার এবং বন্ধুদের খুব মিস করবো। তবে এটা ঠিক, নতুন দেশ, নতুন বন্ধু, নতুন পরিবারের সঙ্গে নতুন ধরনের ঈদ উৎসব পালন করবো এবার। হয়তো ভালই লাগবে। আমি আসলে এবারের ঈদটা নিয়ে খুব এাইটেড। এবার ঈদে অনেক উপহার পেয়েছি। পাচ্ছি এখনো। সে হিসেবে দিতে হয়নি আমাকে এবার। কারণ, আমেরিকায় আমি সবার অতিথি। ফলে কেউ নিতে চায় না, উপহার দিতে চায়। আমিও খুশি!

ন্যান্সি: ঈদ এবার শ্বশুরবাড় ময়মনসিংহে করবো। শ্বশুরবাড়তে এটা আমার প্রথম ঈদ। আবার মাকে ছাড়াও এটা আমার প্রথম ঈদ। ফলে আনন্দ আর বেদনার সংমিশ্রণ থাকছে এ ঈদে। তবে এটুকু সত্যি, এ ঈদে আমি আমার মাকে জীবন দিয়ে মিস করবো। ঈদ আনন্দটা আমার কাছে পানসে হয়ে যাবে মায়ের অনুপস্থিতির কারণে। উপহারের কথা কি বলবো। অনেক উপহার পাচ্ছি স্বামী শ্বশুরবাড়র পক্ষ থেকে। নিজেও কিছু কিনেছি। বিশেষ করে ঈদে আমি যেমন-তেমন, তবে আমার একমাত্র রাজকন্যাকে সাজানোর জন্য এরই মধ্যে বেশ কিছু শপিং করেছি।

অপু বিশ্বাস: অপু বিশ্বাস তার চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে ঈদে ঢাকা ছেড়ে অন্য কোথাও যান না। প্রেক্ষাগৃহে বসে দর্শকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া উপভোগ করেন। এবারও তাই করবেন।

মৌসুমী: এবারও স্বামী, সন্তানসহ আমার পরিবারকে নিয়েই সম্প�র্ণ ঈদ আয়োজন। তাই এরই মধ্যে সবার জন্য কেনাকাটা করেছি। এখনও কিছু কেনাকাটা বাকি রয়েছে। উত্তরার নিজ বাসায় সবার খুশিকে সঙ্গে নিয়েই একসঙ্গে ঈদ করবো।

তৌকীর আহমেদ: পরিবারের সবার হাতে কিছু না কিছু উপহার দিতে পারা আমার স্বভাব। সন্তানদের জন্য এরই মধ্যে কেনাকাটা হয়ে গেছে। পরিবারের সব সদস্যের জন্য কাজের চাপের কারণে এখনও কিছু বাকি রয়েছে। ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে ঢাকতেই আছি।

শাহেদ: ঈদ বলতে বেইলি রোড এবং ধানমন্ডি। স্ত্রী, সন্তানদের জন্য কেনাকাটা নাতাশা এরই মধ্যে করেছে। বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়সহ অন্যসব আ�ীয়-স্বজনের জন্য কেনাকাটাও খুব শিগগিরই করে ফেলবো।

মাহি: মাহির জন্য এবারের ঈদের আনন্দের মাত্রাটা একটু বেশি। তাই ঢাকা ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার ইচ্ছা নেই তার। প্রেক্ষাগৃহে বসে দর্শক প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি। আনন্দের পাশাপাশি মনের মাঝে শিহরণও কাজ করছে। কারণ এবারই প্রথম তার অভিনীত কোনো চলচ্চিত্র ঈদে মুক্তি পাচ্ছে।

তিশা: এক জীবনে ঈদের কত রঙ! সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দও সাজতে থাকে নানারঙের ক্যানভাসে। এখন স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়, দেবর সবাইকে নিয়েই আমার ঈদ আয়োজন। ঈদের কিছু কেনাকাটা এরই মধ্যে করেছি। আরও কিছু বাকি রয়েছে। তা আজকালের মধ্যেই করে ফেলবো।

রেসী: এবারের ঈদের পুরো আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুই সংসারের নতুন অতিথি রাদেয়া ইসলাম প্রার্থনা। স্বাভাবিকভাবে প্রার্থনাকে ঘিরে এবার বাসায় আগত মেহমানদের ভিড় থাকবে একটু বেশি। এটাকে নতুন আরেকটি আনন্দ হিসেবেই দেখছি আমি এবং পান্থ।

নাদিয়া: বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দটাও অনেকটা যান্ত্রিক হয়ে গেছে বলে মনে হয়। এখন দাযড়ত্বও বেড়েছে অনেক। বিশেষ করে নিজেদের প্রিয় স্বজনদের জন্য কেনাকাটা করা মূল দাযড়ত্ব হয়ে দাঁড়য়েছে। শিমুলের জন্য কেনাকাটা করেছি। আরও কিছু বাকি আছে। ফার্মগেটের বাসাতেই ঈদের সকালটা শুরু করবো। এরপর শিমূল-আমি দু'জনে মিলে ঘুরতে বের হবো।

মিলন: ঢাকার কলাবাগানে মায়ের সঙ্গে ঈদ উৎসব পালন করবো। এখনও প্রতিনিয়ত শুটিংয়ের চাপ-একটু ফুরসত পেলেই কেনাকাটায় বেরিয়ে যাবো। অবশ্য এর মধ্যে কেনাকাটা বলতে মায়ের জন্য একটি শাড় কিনেছি।

শখ: বিজ্ঞাপন, নাটক, নাচেরসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে কাজের খুব প্রেসার যাচ্ছে। তাই এখনও সবার জন্য কেনাকাটা শেষ হয়নি। তবে এরই মধ্যে কয়েকটি জামা উপহার পেয়েছি। আশা করছি গেণ্ডারিয়ায় আমার পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঈদ উৎসব পালন করবো।

ফাহমিদা নবী: ঈদ ঢাকাতেই সব সময় করতে ভাল লাগে। এবারও তাই করবো। আর আমি ঈদে প্রচুর গিফট অন্যান্যের করতে পছন্দ করি। পরিবারের সদস্যরা তো বটেই, তাদের বাইরেও দেশ-বিদেশের বন্ধু-বান্ধবদের গিফট করতে অনেক ভাল লাগে। তবে পাওয়ার পরিমাণটাও কিন্তু অনেক। প্রচুর পরিমাণে গিফট পাই। এছাড়া ঈদে শপিংয়ের প্রতি আলাদা করে তেমন একটা মনোযোগ আমি দেই না। কারণ, আমি এমনিতেও সারা বছরই টুকটাক শপিংয়ের ওপরই থাকি। এবারও ইতোমধ্যে অনেক গিফট পেয়েছি। নিজেও অন্যান্যের গিফট করেছি। এখনও করছি। আসলে পাওয়ার চেয়ে দেয়ার মধ্যে আনন্দটা অনেক বেশি।

বিপ্লব: শো না থাকলে আমি ঈদ ঢাকাতেই করি। এবারও তাই করবো। শো থাকার ফলে গত বেশ কয়েকটি ঈদই দেশের বাইরে করতে হয়েছে। এবার যেহেতু ঢাকাতেই ঈদ করবো তাই শপিংতো শুরু থেকেই চলছে। তবে আমার আসলে ওইভাবে শপিং করতে ভাল লাগে না। কারণ, ঈদের বাইরেও অনেক পোশাক এমনিতেই কেনা হয়। তারপরও যেহেতু মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ, তাই পাঞ্জাবি কেনা হয়। আমার স্ত্রী মূলত ঈদ শপিংয়ের দাযড়ত্বটা নেয়। আর ঈদ উপহার দেয়ার বিষয়টা আমি সব সময় উপভোগ করি। আ�ীয়-স্বজন-বন্ধুবান্ধবদের উপহার দিতে খুব ভাল লাগে। এবারও তাই করছি। অনেক উপহার ইতোমধ্যে সবাইকে কিনে দিয়েছি। অন্যদিকে মন থেকে না চাইলেও অনেক গিফট পাওয়াও হয়ে গেছে আমার।

আগুন: ঈদ ঢাকায়ই করবো। ঢাকার ঈদের মজাই আলাদা। কারণ, পুরো ঢাকা ফাঁকা থাকে। এই ফাঁকা ঢাকাটা উপভোগ করার সবচেয়ে বড় উৎসব হলো ঈদ। আর ঈদকে ঘিরেতো রোজার প্রথম থেকেই স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শপিং করা হয়। মগবাজারে থাকি বলে শপিং করাটা একটু সহজ আমার জন্য। এবারও অনেক শপিং করেছি। অনেককে উপহার দিয়েছি। ছোট থাকতে পেতে ভাল লাগতো। আর এখন দিতেই বেশি ভাল লাগে।

পড়শী: এবারের ঈদ ঢাকাতেই করবো। আর এবার যেহেতু আমার তৃতীয় একক 'পড়শী-৩' অ্যালবামটি প্রকাশ পেয়েছে, তাই এবারের ঈদটি আমার জন্য স্পেশাল। ইতোমধ্যে আমি অনেক শপিং করেছি। দেশের বাইরে থেকেও অনেক পোশাক কেনা হয়েছে। তাছাড়া অনেক গিফট এরই মধ্যে পেয়েছি। আমার ঈদ কেনাকাটার মধ্যে পোশাক ছাড়াও ছিল নতুন প্রকাশ পাওয়া অ্যালবামগুলো। কারণ, প্রতি উৎসবে প্রকাশ পাওয়া নতুন অ্যালবামগুলো শোনা হয় আমার নিয়মিত। তাছাড়া আমি নিজেও অনেককে ঈদে গিফট করেছি এবার।

কোন মন্তব্য নেই:

Popular Posts