নিজ বাড়িতে স্ত্রীসহক খুন হওয়া পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি)
ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমানের মেয়ে ঐশীকে নির্দোষ দাবি করেছেন তার চাচা ও
ফুফু। তারা বলছেন, তাদের ভাতিজি কখনোই এরকম কাজ করতে পারে না। কেউ
বাবা-মাকে হত্যা করে ঐশীর ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে।
রোববার সকালে ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমানের মরদেহ হালুয়াঘাটের গ্রামের বাড়িতে দাফন শেষে ঐশীর চাচা মশিউর রহমান সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘ঐশী এমন কাজ করতে পারে না, তাকে নিয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। অন্য কেউ বা কোনো পক্ষ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে।’
একই কথা বলছেন ঐশীর ফুফু ডলি ও পলি। তারা বলেন, ‘সে মাদকাসক্ত ছিল বলে বলা হচ্ছে, কিন্তু এ ধরনের কোনো কথা আমরা কখনো শুনিনি।’
এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঐশীর মতো মেয়ে ঘটাতে পারে না দাবি করে তারা বলেন, ‘গত কোরবানির ঈদে মাহফুজুর স্ত্রী ছেলে-মেয়ে নিয়ে হালুয়াঘাট আসে। সে সময় ঐশী সম্পর্কে খারাপ কিছু আমরা শুনিনি।’ মাহফুজুর পরিবার গত ঈদুল ফিতর ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্বপ্না রহমানের বাবার বাড়িতে করে বলে জানায় পরিবারের সদস্যরা।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় নিজবাড়ির জামে মসজিদের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মাহফুজুর দম্পতির দাফন সম্পন্ন হয়।
জানাজায় অংশ নেন হালুয়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলী আজগর, হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করিমসহ সর্বস্তরের প্রায় দুই হাজার মানুষ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার চামেলীবাগের (বাসা নম্বর ২, বিল্ডিং-চামেলী, ৬ তলা, ফ্ল্যাট বি-৫) ভাড়া বাসা থেকে মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মা-বাবা খুন হওয়ার পর ঐশীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পরের দিন শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে পল্টন থানায় এসে সে নিজের পরিচয় দেয়। এরপর তাকে নিয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐশীর বন্ধু-বন্ধবীসহ ছয় জনকে থানায় নেয় পুলিশ।
রোববার বেলা দেড়টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ এক ব্রিফিংয়ে জানায়, ঐশী নিজেই তার মা-বাবাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করে বলে তারা প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে জানতে পেরেছে।
মৃত্যুকালে মাহফুজুর রহমান মা মুকছেদা, দুই সন্তান ঐশী ও ওহী, বোন মাহ্ফুজা ইয়াসমীন ডলি, মাহিরুনা ইয়াসমিন পলি, ছোট ভাই মশিহুর রহমানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে হালুয়াঘাট উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাটের মধ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম আব্দুল মতিন মাস্টারের বড় ছেলে মো. মাহ্ফুজুর রহমান বাবুল। তিনি ১৯৮৯ সালে পুলিশের উপপরিদর্শক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন।
পরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চাকরি করতে গিয়ে সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে স্বপ্না রহমানের সঙ্গে পরিচয় এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় বছর পর ১৯৯৫ সালে প্রথম সন্তান ঐশীর জন্ম হয়। আট বছর পর ২০০৩ সালে ছেলে ওহীর জন্ম।
একমাত্র মেয়ে ঐশী ও ছেলে ওহীকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়াই ছিল মাহফুজ দম্পতির স্বপ্ন। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার সমস্যা হবে সেজন্য ঢাকার বাইরে চাকরি করতে যাননি মাহফুজ। চাকরি জীবনে দুই দুইবার জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যোগ দিতে দেশের বাইরে গিয়ে উপার্জিত অর্থে ঢাকার রামপুরায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন। কিন্তু অফিস এবং ছেলে-মেয়েদের স্কুল থেকে নিজস্ব ফ্ল্যাট দূরে হওয়ায় চামেলীবাগে ভাড়া ফ্ল্যাটে থাকতেন মাহফুজ দম্পতি।
রোববার সকালে ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমানের মরদেহ হালুয়াঘাটের গ্রামের বাড়িতে দাফন শেষে ঐশীর চাচা মশিউর রহমান সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘ঐশী এমন কাজ করতে পারে না, তাকে নিয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই। অন্য কেউ বা কোনো পক্ষ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে।’
একই কথা বলছেন ঐশীর ফুফু ডলি ও পলি। তারা বলেন, ‘সে মাদকাসক্ত ছিল বলে বলা হচ্ছে, কিন্তু এ ধরনের কোনো কথা আমরা কখনো শুনিনি।’
এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঐশীর মতো মেয়ে ঘটাতে পারে না দাবি করে তারা বলেন, ‘গত কোরবানির ঈদে মাহফুজুর স্ত্রী ছেলে-মেয়ে নিয়ে হালুয়াঘাট আসে। সে সময় ঐশী সম্পর্কে খারাপ কিছু আমরা শুনিনি।’ মাহফুজুর পরিবার গত ঈদুল ফিতর ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্বপ্না রহমানের বাবার বাড়িতে করে বলে জানায় পরিবারের সদস্যরা।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় নিজবাড়ির জামে মসজিদের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মাহফুজুর দম্পতির দাফন সম্পন্ন হয়।
জানাজায় অংশ নেন হালুয়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলী আজগর, হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করিমসহ সর্বস্তরের প্রায় দুই হাজার মানুষ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার চামেলীবাগের (বাসা নম্বর ২, বিল্ডিং-চামেলী, ৬ তলা, ফ্ল্যাট বি-৫) ভাড়া বাসা থেকে মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মা-বাবা খুন হওয়ার পর ঐশীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে পরের দিন শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে পল্টন থানায় এসে সে নিজের পরিচয় দেয়। এরপর তাকে নিয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐশীর বন্ধু-বন্ধবীসহ ছয় জনকে থানায় নেয় পুলিশ।
রোববার বেলা দেড়টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ এক ব্রিফিংয়ে জানায়, ঐশী নিজেই তার মা-বাবাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করে বলে তারা প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে জানতে পেরেছে।
মৃত্যুকালে মাহফুজুর রহমান মা মুকছেদা, দুই সন্তান ঐশী ও ওহী, বোন মাহ্ফুজা ইয়াসমীন ডলি, মাহিরুনা ইয়াসমিন পলি, ছোট ভাই মশিহুর রহমানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার অকাল মৃত্যুতে হালুয়াঘাট উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাটের মধ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম আব্দুল মতিন মাস্টারের বড় ছেলে মো. মাহ্ফুজুর রহমান বাবুল। তিনি ১৯৮৯ সালে পুলিশের উপপরিদর্শক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন।
পরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চাকরি করতে গিয়ে সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে স্বপ্না রহমানের সঙ্গে পরিচয় এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় বছর পর ১৯৯৫ সালে প্রথম সন্তান ঐশীর জন্ম হয়। আট বছর পর ২০০৩ সালে ছেলে ওহীর জন্ম।
একমাত্র মেয়ে ঐশী ও ছেলে ওহীকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়াই ছিল মাহফুজ দম্পতির স্বপ্ন। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার সমস্যা হবে সেজন্য ঢাকার বাইরে চাকরি করতে যাননি মাহফুজ। চাকরি জীবনে দুই দুইবার জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যোগ দিতে দেশের বাইরে গিয়ে উপার্জিত অর্থে ঢাকার রামপুরায় একটি ফ্ল্যাট কেনেন। কিন্তু অফিস এবং ছেলে-মেয়েদের স্কুল থেকে নিজস্ব ফ্ল্যাট দূরে হওয়ায় চামেলীবাগে ভাড়া ফ্ল্যাটে থাকতেন মাহফুজ দম্পতি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন