শুক্রবার সকাল
থেকে
রাজধানীর সোহওরাওয়ার্দী উদ্যোনে মিছিল
সহকারে
আসতে
শুরু
করেছে
বিএনপি
জামায়াতের নেতাকর্মীরা। রয়েছে
পুলিশের কড়া
নজরদারি, মোড়ে
মোড়ে
তল্লাশি, বিজিবির টহল।
র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় জনমনে
এক
ধরনের
ভীতির
সৃষ্টি
হয়েছে।
ফলে
পাবলিক
পরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িও
কম
চলাচল
করছে।
রাজনৈতিক সংঘর্ষের আশঙ্কায় যাদের
জরুরি
প্রয়োজন তার
রাস্তায় বের
হয়েছেন। যেন
রাজধানীতে অঘোষিত
জরুরি
অবস্থা
চলছে।
অনেকেই
যানবাহন না
পেয়ে
পায়ে
হেঁটে
পথ
চলতে
দেখা
গেছে।
আর
যারা
গাড়ি
পাচ্ছেন তাদের
গুণতে
হচ্ছে
দ্বিগুণ কিংবা
তারও
বেশি
ভাড়া।
ভূক্তভোগী এক
ব্যবসায়ী আমিরুল
ইসলাম
জুয়েল
জানান,
বৃহস্পতিবার বিকেল
থেকেই
রাজধানীর পথে
গাড়ির
সংখ্যা
কম
লক্ষ্য
করা
গেছে।
সবার
মনেই
এক
ধরনের
আতংক
বিরাজ
করছে।
ফলে
মানুষ
প্রয়োজন ছাড়া
বাইরে
বের
হচ্ছে
না।
গাজীপুরের যাত্রী
নূরুল
ইসলাম
জানান,
দেড়
ঘণ্টা
স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি।
কিন্তু
বাসের
দেখা
পাচ্ছি
না।
জরুরি
প্রয়োজন না
হলে
আজ
বের
হতাম
না।
কি
যে
হবে
দেশটার!
প্রসঙ্গত, ২৫
অক্টোবরকে কেন্দ্র করে
গত
দুদিন
রাজধানী বিভিন্ন জায়গায়
ককটেল
বিস্ফোরণ, আওয়ামী
লীগের
অফিসে
অগ্নিসংযোগসহ নানা
ঘটনা
ঘটে।
বিএনপি
যে
কোনো
মূল্যে
সমাবেশ
করবে
এ
ঘোষণায়
আইনশৃঙ্খলার অবনতির
আশঙ্কায় ঢাকাসহ
দেশে
সিটি
এলাকায়
সভা
সমাবেশের ওপর
নিষেধাজ্ঞা জারি
করে
পুলিশ।
গত
কয়েক
দিন
ধরে
এই
ভীতিকর
পরিবেশ
তৈরি
হয়।
শেষ
পর্যন্ত নানা
নাটকীয়তা শেষে
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শর্ত
সাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে সমাবেশে করার
অনুমতি
পায়
১৮
দলীয়
জোট।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন