M

<< WELLCOME TO DASAR KHOBOR >> পাকিস্তানের নারীদের দেয়া হচ্ছে যৌন শিক্ষা >> সাভারে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত >> মিয়ানমারে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা >> মিরপুরে মিল্কভিটা বস্তিতে আগুন >> ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের পথে পাকিস্তান>> দৌলতপুরে সরকারী গাছ কেটে আত্মসাতের চেষ্টা করেছে সরকারী দলের নেতা >>রাহুল গান্ধীকে চুমু খাওয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা >> মেহেরপুরের পাঁচ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান >> পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে কক্সবাজারে হরতাল চলছে >> এশিয়া কাপে আজ যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের >> পলাতক ২ জঙ্গি ধরতে গাইবান্ধায় গোয়েন্দাজাল >> সেনাবাহিনী নামছে ৫৯ জেলায় >> বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি দিল আল কায়েদা!>>

শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০১৪

দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজের বাসত্মবায়ন দেখাতে হবে

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক  সৈয়দ বেলাল হোসেন বলেছেন,এখন শুধুই সামনে এগিয়ে যাবার সময়। জনগণের কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। পরিশ্রম মানুষকে উন্নয়ন ও সফলতা দুই দিতে পারে। উন্নয়ন ও প্রযুক্তির এই বিশ্বায়নে পিছিয়ে থাকলে চলবে না। দেশ ও জাতির উন্নয়নে প্রতিটি কাজের বাসত্মবায়ন দেখাতে হবে। জেলার উন্নয়নে অংশিদারিত্বের দাবীদার সংশ্লি­ষ্ট দপ্তর-অধিদপ্তরের প্রত্যেক কর্মকর্তা কাজের
প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। যেন উন্নয়নমূলক কাজে কোন ভাবেই অসচ্ছতা, অনিয়ম ও দূর্নীতি চেপে বসতে না পরে। নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই দেশ এগিয়ে যাবে। কুষ্টিয়ার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রশ্নবিদ্ধ উন্নয়ন নয়, বাসত্মবায়ন ভিত্তিক উন্নয়নে সফলতা দেখাতে হবে। টেকসই ও জনগুরুত্বপূর্ন উন্নয়নমূলক কাজ না করে কাজের নামে অকাজে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় মেনে নেয়া হবে না। প্রযুক্তি বিশ্বায়নের এই যুগে পিছন ফিরে দেখার আর কোন সুযোগ নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের উন্নয়নে বিদেশীরা মুগ্ধ হলেও আমরা আজো নিজেকে উন্নয়নের একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলাম না। নিজেদের মধ্যে দেশ প্রেম জাগ্রুক হোক প্রতিটি ক্ষেত্রে তবেই এগুবে জাতি এগিয়ে যাবে দেশ। কাজের পার্সেন্টেজের সাথে সরকারী কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা পেলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বরাদ্দের অনুকুলে শতভাগ কাজের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
কুষ্টিয়ায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আর প্রশ্নবিদ্ধ উন্নয়ন নয়। উন্নয়নের নামে বরাদ্দ পাওয়া সিংহ ভাগ টাকা অযোগ্য কর্মকর্তার ব্যর্থতার কারনে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হবে এটি হতে পারে না। উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজে কোন প্রকার অনিয়ম, দূর্নীতি ও অবহেলা মেনে নেয়া হবে না। সরকার জনজীবনের নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন বাসত্মবায়নে পদ্ধপরিকর। তাই কাগুঁজে উন্নয়ন নয় বাসত্মবে দেখাতে হবে।
বিগত মাসের বিসত্মারিত তুলে ধরে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রট আনার কলি মাহবুব। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহাম্মেদ, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালত ডাঃ আজিজুন নাহার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বকর সিদ্দিক, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোদেজা খাতুন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমূল হক, ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিত্মমনি চাকমা, মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাদ জাহান, কুমারখালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহেলা আক্তার, খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান,ভেড়ামারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম ওরফে আলম মালিথা,বিশিষ্ট লেখক ও কলামিষ্ট শেখ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদ মোহাম্মদ কবির, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী ইকবাল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নৈমূল হক, এনএসআই’র সহকারী পরিচালক আমিনুজ্জামান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমন্ডার নাছিম উদ্দিন আহমেদ, লালন একাডেমির সহ-সভাপতি জাহিদ হোসে, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার কুন্ডু, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলী, পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক রুসত্মম আলী, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মোকাররম, জেলা বিএফএ’র নেতা আব্দুল লতিফ, বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক মোর্শেদ আলম, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবু জাফর, জেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কৃষি কর্মকর্তা কিংকুর চন্দ্র দাস, ওজোপাডিকোর বির্নাহী প্রকৌশলী সিরাজুন নূর, বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক মজিবর রহমান, জেলা রেজিষ্টার শামীমা আক্তার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক শাহিদুল ইসলামজেলা তথ্য কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান, জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাচানুজ্জামান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রহমান, জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসিনা বেগম, উদ্যানের পরিচালক একরামুল হক, বনকর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন খান, বাজার মনিটরিং অফিসার রবিউল ইসলাম, জেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আব্দুল গনি, জেলা সমবায় কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা বিশ্বনাথ পাল, জেলা শিশু কর্মকর্তা মখলেছুর রহমান, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কর্মকর্তা দেবব্রত ঘোষ প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ জেলার জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোর উন্নয়নে নজর না দিলেও জনগণের প্রয়োজন ছাড়াই ব্রীজ-কালভাট নির্মানে নিজেদের যুক্ত রেখেছেন। এটি অত্যামত্ম দুঃখজনক। মিরপুরের মশান বাজার, ত্রিমোহীর নিকট, খোকসায় দীর্ঘদিন ধরে ডিগবাজী ব্রীজ নির্মান করে রেখে জনদূর্ভোগ বাড়িয়েছে। যা আজো রয়েছে মানুষের চলাচলে মৃত্যুঝুঁকি হয়ে। এধরনের কান্ডজ্ঞানহীন উন্নয়ন জেলাবাসী দেখতে চাই না। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কোন মন্তব্য নেই:

Popular Posts